ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
০৫ আগস্ট ২০২৩ ০৩:৫৭
ছবি: বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
সন্তানদের পোষ্য কোটায় ভর্তির বিশেষ সুবিধার দাবিতে ৫ ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কর্মকর্তারা। আজ শনিবার (০৫ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে শুরু করে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন কর্মকর্তারা।
এর আগে গত
২৬ জুলাই কর্মবিরতি শুরু করেন কর্মকর্তারা। আজকে ৪র্থ দিনের মতো কর্মবিরতি রাখা হয়।
এ ছাড়া দাবি না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন ইবির কর্মকর্তারা।
আন্দোলনকারী
কর্মকর্তারা জানান, ভর্তি পরীক্ষায় ৩০ নম্বর পেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারে,
পোষ্য কোটার ক্ষেত্রেও একই শর্ত রাখা হয়েছে। তাহলে কোটাধারীদের কী সুবিধা দেওয়া হলো।
পোষ্য কোটাধারী হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম যোগ্যতায় ভর্তি নিলে আহামরি
কোনো ক্ষতি হবে না।
তথ্য মতে,
পোষ্য কোটা থাকা সত্ত্বেও শর্ত পূরণ না করতে পারায় তাদের সন্তানরা বিশেষ সুবিধায় ভর্তি
হতে পারছেন না। অথচ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ন্যুনতম ৩০ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা
ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। এতে পরীক্ষায় ন্যুনতম
পাশ নম্বর (৩০) প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, খেলোয়াড় ও পোষ্য কোটার শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শর্তপূরণ সাপেক্ষে ভর্তির জন্য
আবেদন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কিন্তু এই
শর্ত পূরণ ছাড়াই পোষ্য কোটায় তাদের সন্তানদের ভর্তির বিশেষ সুবিধা চাই কর্মকর্তারা।
যার ফলে ৫ ঘন্টা কর্মবিরতি করে আন্দোলন করেন তারা। কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এটিএম এমদাদুল
আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনিয়ম, দুর্নীতির বিচার ও আইন সবার জন্য সমান সেটা
বিবেচনায় রেখে প্রশাসন পরিচালনা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় ও কর্তৃপক্ষের
দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছি। কিন্তু আমরা কোন ফল পাচ্ছি না। দুর্নীতি ও গতিহীনতার ভিতরে
প্রশাসন পরিচালিত হচ্ছে।
এমদাদুল
আলম আরও বলেন, অনেক দুর্নীতির অডিও ফাঁসের পরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন
না। এতে আমরা সকলে হতবাক হয়েছি। আমরা সকলে একত্র হয়ে সমস্ত কিছুর বিচার চাচ্ছি। পোষ্য কোটার
বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অনেকবার স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি প্রশাসন আমলে
নিচ্ছে না। সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রশাসন চলুক এটাই আমাদের চাওয়া।
জেডএস/