ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
৩১ মে ২০২৩ ০৬:১২
ছবি : সংগৃহীত
দক্ষিণ চীন
সাগরের আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় একে অপরের অবস্থান নিয়ে আবারও আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও
চীন। গত শুক্রবার ওই অঞ্চলে নজরদারি
চালাচ্ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর আরসি ১৩৫ নামের গোয়েন্দা বিমান। ওই সময় হঠাৎই
৪০০ ফিটের মধ্যে চলে আসে চীনের যুদ্ধবিমান জে সিক্সটিন।
চীনের ওই
যুদ্ধবিমান, মার্কিন বিমানের সামনে গিয়ে আক্রমণাত্মক কৌশল প্রদর্শন করেছে বলে দাবি
করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ককপিট থেকে ধারণ করা সেই ভিডিও প্রকাশ করে চীনের এ ধরণের কর্মকাণ্ডকে
অপেশাদার উল্লেখ করে, তীব্র সমালোচনা করেছে পেন্টাগন। ঘটনাকে অপ্রয়োজনীয় আগ্রাসী আচরণ
বলে আখ্যা দিয়েছে জো বাইডেনের প্রশাসন।
এক বিবৃতিতে
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড জানিয়েছে, গত সপ্তাহে দক্ষিণ
চীন সাগরে উড়ছিল তাদের ইউএস আরসি-১৩৫ গোয়েন্দা বিমান। প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়,
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিমান দুটি কাছাকাছি। বলা হয়েছে বিমানের অবস্থান ছিলো ৪০০ ফিটের
মধ্যে। এসময় চীনের বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানের দিকে তেরে যেতে দেখা যায়। অবশ্য
কিছুক্ষণ পরেই বিমানটি ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়।
ঘটনার পর
এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, আন্তর্জাতিক আইন মেনে ওই অঞ্চলে দায়িত্বশীল কার্যক্রম
পরিচালনা করতেই থাকবে ওয়াশিংটন। অন্যদেশগুলোকেও আইন মেনে চলবে বলে আশা জানানো হয়।
তবে চীন
দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে। যা
তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এ ব্যাপারে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনের
দূতাবাসের মুখপাত্র লিও পেংগিউ বলেছেন, কাছ থেকে চীনের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে
যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই বিমান ও জাহাজ মোতায়েন করে। যা চীনের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অনেক
বড় হুমকি। নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করে, এ ধরনের বিপজ্জনক উস্কানি ও চীনের ওপর দোষ
চাপানো বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানায় বেইজিং।
এরআগে, গেল
ডিসেম্বরে মার্কিন বিমানের ২০ ফুট পাশ দিয়ে উড়ে যায়
চীনা যুদ্ধবিমান সেবার যুক্তরাষ্ট্র চীনের এই কাজকে ‘অপেশাদার বলে আখ্যা দিয়েছিলো।
জেডএস/