ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
১৩ জুলাই ২০২৩ ০৮:০৮
পানির নিচে
তলিয়ে গেছে দিল্লীর প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত। যা গত ৪৫ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে।
এই সময়ের মধ্যে এতো খারাপ পরিস্থিতি দেখেনি রাজধানীর মানুষ। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে
বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে উপচে পড়ছে যমুনা নদীর পানি। সেই পানিতেই ডুবেছে রাস্তাঘাট।
যমুনার কোল
ঘেষা শহরের শাহীনবাগ ও পাশের সারিতা বিহারের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে পানি। বৃহস্পতিবার
সকাল সাতটার দিকে হরিয়ানা রাজ্যের হাথনিকুন্দ সেতুতে যমুনা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ২০৮
দশমিক ৪৬ মিটার। যা বিপৎসীমার চেয়ে ৩ মিটার বেশি উঁচুতে প্রবাহিত হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত
ভারতে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও ভুমিধসে শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। এর মধ্যে গত মাসের
শেষের দিকে বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকে হিমাচল প্রদেশে অন্তত ৮৮ জন মারা গেছেন।
দিল্লীর
মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, এটি ৪৫ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। পানির স্তর ক্রমাগত
বাড়ছে। এটি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যার মতো পরিস্থিতি রয়েছে। ভয়াবহ যেকোনো পরিস্থিতি
মোকাবিলায় দিল্লিতে আড়াই হাজার ত্রাণ শিবির স্থাপন করা হয়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় রাজধানীর
বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ নিরাপদ স্থানে চলে যাচ্ছেন।
অরবিন্দ
কেজরিওয়ালের সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বাঁধ থেকে পানি নিঃসরণ বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে কেন্দ্র বলেছে, বাঁধ থেকে অতিরিক্ত পানি ছাড়তে হবে। এদিকে হিমাচল প্রদেশে প্রচুর
বৃষ্টির কারণে বাঁধের এই অবস্থা হয়েছে। সিভিল লাইন এলাকার রিং রোড বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।
কাশ্মীরি গেট আইএসবিটির সঙ্গে মজনু কা টিলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে
বহু ব্রিজ ও কালভার্ট। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন উত্তর ভারতের মানুষ।
কেন্দ্রীয়
পানি কমিশন বলছে, হরিয়ানা বাঁধ থেকে পানির প্রবাহ কমতে পারে। নিগমবোধ ঘাট শ্মশান ব্যবহার
না করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার বন্যা পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ। জাতীয়
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ১২টি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।
জেডএস/