নিজস্ব প্রতিবেদক

বেঙ্গল নিউজ টোয়েন্টিফোর


২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৯



সিরাজগঞ্জে এক স্কুলে পরীক্ষার আগেই নিয়োগ চূড়ান্তের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর

২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৯

সিরাজগঞ্জে এক স্কুলে পরীক্ষার আগেই নিয়োগ চূড়ান্তের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলায় এক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার আগেই প্রার্থী নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার হাট বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইটি শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ছয় চাকরি প্রত্যাশী প্রার্থী।

তাদের অভিযোগ, ২২ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন তারা।

চাকরি প্রত্যাশী নাইম আহমেদ, ছাকমান আলী ও শান্তি রেজা অভিযোগ করে জানান, শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) হাট বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। গত বুধবার এ পদ দুইটিতে আবেদনকারীদের বিদ্যালয়ে ডেকে পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু এর আগেই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মঞ্জুর রহমান বকুল, প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম নৈশ প্রহরী পদে মো. উজ্জল হোসেনের কাছে ১২ লাখ ও আয়া পদে সাথী খাতুনের কাছে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে তাদের নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিষয়টি ওই দুই প্রার্থীর ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির একাধিক সদস্য। তারা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানিয়েছেন।

ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য গোলাম মওলা বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটির সদস্যের মধ্যে থেকে একজনকে নিয়োগ কমিটিতে রাখতে মিটিং ডাকা হয়েছিল। এ সময় কথাকাটাকাটি হওয়ায় মিটিং অসমাপ্ত থাকে। কিন্তু এখন শুনছি, সেই মিটিংয়ের উপস্থিতি স্বাক্ষর রেজুলেশনে দেখিয়ে নিয়োগ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিয়োগের বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির পাঁচজন সদস্যের কোনো মতামত গ্রহণ করা হয়নি।’

নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নই। অভিযোগ করা হলে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে পরবর্তীতে সব কার্যক্রম পরিচালনা করব।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে নিয়োগ কমিটির সভাপতি মঞ্জুর রহমান বকুলের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।  

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এলিজা সুলতানা বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সিরাজগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কাজি সলিমুল্লাহ বলেন, ‘অভিযোগটি দেরিতে দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এসএএল/