নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
১৪ জুন ২০২২ ০১:৪০
চার বছর পর বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য খুলতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। মালয়েশিয়ার কর্মী হিসেবে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। রবিবার জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষন ব্যুরো (বিএমইটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব জেলার কর্মসংস্থাপন ও জনশক্তি (ডিইএমও) অফিসের পাশাপাশি ‘আমি প্রবাসী’ মোবাইল অ্যাপেও নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া নির্ধারিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) সরাসরি উপস্থিত হয়ে নিবন্ধন করা যাবে।
প্রতিটি ‘সফল’ নিবন্ধনের জন্য ২০০ টাকা সরকারি ফি দিতে হবে। এর বাইরে ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপের মাধ্যমেও ডেটাবেজে নিবন্ধন করা যাবে। সেক্ষেত্রে সরকারি ২০০ টাকার পাশাপাশি আর অতিরিক্ত ১০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে জানিয়েছে বিএমইটি।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে, তারা মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধনের তারিখ থেকে আগামী দুই বছর পর্যন্ত নিবন্ধন নম্বর ও এর কার্যকারিতা বহাল থাকবে।
বিএমইটি জানিয়েছে, নিবন্ধনের সময় পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে। ইমেইল ও দক্ষতা সনদ থাকলে সেগুলোও নিবন্ধনের সাথে যুক্ত করতে পারবে মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীরা। কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) ও ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি অথবা বৈধ কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ‘দক্ষতা অর্জন সনদ’ আপলোড করলে মিলবে অগ্রাধিকার। তবে ইতিমধ্যে যারা বিদেশ যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন, তাদের নতুন করে নিবন্ধন করার প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়েছে বিএমইটি।
কৃষি, শিল্প, সেবা, খনি, নির্মাণ ও গৃহস্থালির সেবাসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় রাষ্ট্রটি। পাঁচ বছরে পাঁচ লাখ কর্মী নিয়োগের সমঝোতা স্মারক ইতিমধ্যে সই করেছে দুই দেশের সরকার। বাংলাদেশের কোন কোন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী যাবে, তা ঠিক করবে মালয়েশিয়া সরকার।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, কর্মী নেওয়ার খরচ নিয়োগকর্তাই বহন করবে। তবে কর্মী বাছায়ের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা চাইলে মালয়েশিয়া প্রান্তেও রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়োগ করতে পারবেন। নিয়োগ, মালয়েশিয়া আনয়ন, আবাসন, কর্মে নিয়োগ ও কর্মীর নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর খরচ মালয়েশিয়ার রিক্রুইটমেন্ট এজেন্সির বহন করার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ প্রান্তের কয়েকটি খরচ বহন করতে হবে শ্রমিককে। এসব খরচের মধ্যে পাসপোর্টের ফি, দেশীয় এজেন্সির ফি, বিএমইটির ফি, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ফি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি রয়েছে।
ইউএইচ/আরআর