ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
২৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:৫৩
ছবি: সংগৃহীত
৩০ বছরের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার সাক্ষী হলো দক্ষিণ কোরিয়া। রোববার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানওয়েতে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় ১৮১ আরোহীর মধ্যে মারা গেছেন ১৭৯ জন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন ২ ক্রু। এরই মধ্যে উদ্ধার হয়েছে বিমানের ব্ল্যাকবক্স। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার স্থানীয়
সময় নয়টার দিকে দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
বিধ্বস্ত হয় জিজু এয়ারের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ। দুর্ঘটনার পর সময় যত গড়িয়েছে ততোই
দীর্ঘ হয়েছে মৃত্যুর মিছিল।
জীবিত দুইজনকে
আহত অবস্থায় সিউলের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিমানের পেছনের অংশে ছিলেন বলে
তারা বেঁচে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পেছনের ওই অংশ ছাড়া পুরো উড়োজাহাজটিই বিধ্বস্ত
হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায়
উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত বেড়ে ১৭৭ দক্ষিণ কোরিয়ায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায়
নিহত বেড়ে ১৭৭
বিমানবন্দর
কর্তৃপক্ষ বলছে, পাখির আঘাতের কারণে উড়োজাহাজটির ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটি হয়ে থাকতে পারে। দুর্ঘটনার আগে পাখির
আঘাত বিষয়ে সতর্কতা জারি করে হয়েছিল বলেও জানিয়েছে
কর্তৃপক্ষ।
এভিয়েশন
সেফটি পুলিশ ইয়ো ইউং সু বলেন, ‘আটটা চুয়ান্ন মিনিটে অবতরণের ছাড়পত্র পেয়েছিল বিমানটি।
এরপরপরই অবতরণের জন্য প্রথম চেষ্টা করে সে। কিন্তু আটটা সাতান্ন মিনিটে পাইলটকে রানওয়ে এলাকায় পাখির চলাচলের বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
এরপরই বিমানটি গতি বাড়িয়ে এর আগের গতিপথে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।’
বিমানে থাকা
১৭৫ যাত্রীর মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক এবং ২ জন থাইল্যান্ডের নাগরিক বলে
নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
বিমান বিধ্বস্তের
ঘটনায় সর্বাত্মক উদ্ধার প্রচেষ্টার নির্দেশ দেন দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট
চোই সাং মক। রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে গত শুক্রবার দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব
নেন তিনি।
/এসবি