নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
২৮ এপ্রিল ২০২৩ ০৩:৩০
ছবি: সংগৃহীত
বুড়িগঙ্গা
নদীর তীরে ওয়াইজঘাটে ভাসমান পাঁচটি নৌকা। প্রথম দেখায় মনে হবে কয়েকটি লঞ্চ যাত্রীর
জন্য অপেক্ষা করছে। যাত্রী বোঝাই হলেই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। কিন্তু
না এগুলো যাত্রা করবে না কোনদিন। লঞ্চ হলেও এগুলো এখন ব্যবহার করা হয় মানুষের থাকার
আবাসিক হোটেল বা বোডিং হিসেবে। প্রায় ৫০ বছর ধরে এভাবেই দাড়িয়ে আছে হোটেলগুলো।
পুরান ঢাকার
মিটফোর্ড হাসপাতাল সংলগ্ন বুড়িগঙ্গার ঘাটে দাড়িয়ে থাকা ভাসমান উজালা, ফরিদপুর, শরীয়তপুর
ও বুড়িগঙ্গা নামের ৫টি হোটেল। মাত্র ৪০ টাকায় রাতযাপন করা যায় এখানে। আর ৮০ থেকে ১০০
টাকায় মিলবে সিঙ্গেল কেবিন। ডাবল কেবিনের ভাড়া ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা। প্রতিটি বোর্ডিংয়ে
৩০-৩৫টি কক্ষ বা কেবিন রয়েছে। এমনকি কোনো কেবিন খালি না থাকলে ডেকের উপরে মশারি টানিয়ে
দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় রাত কাটানোর ব্যবস্থাও আছে এখানে।
পুরান ঢাকার
বাবুবাজার, সদরঘাট, ওয়াইজঘাট ও আশপাশের এলাকাগুলোতে প্রচুর ভাসমান লোকজন কাজ করেন।
যাদের বেশির ভাগই হকার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী। বেশি টাকা খরচ করে আবাসিক হোটেলে
থাকার সামর্থ্য তাদের নেই। মূলত এরাই বোর্ডিংগুলোর বাসিন্দা। সারাদিন কাজকর্মে ব্যস্ত
থাকেন। দিন শেষে এখানে নির্বিঘ্নে রাতযাপন করতে পারেন তারা।
বোর্ডিংগুলোতে
বিদ্যুৎ, নিরাপদ খাবার পানি ও টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত আবাসিক হোটেলগুলোতে
থাকার যে সুবিধা তার সবই রয়েছে।
এমএইচ/