ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
২৪ জুন ২০২৩ ০১:২০
মানুষ শারীরিক
কষ্ট ভুলে মানসিক শান্তির জন্য ভ্রমণ বা অভিযান করে থাকেন। দেশের ভেতরে বা আশপাশের
দেশে অভিযানের খরচ নিয়ে হয়তো অনেকেরই জানা আছে। তবে সমুদ্রের তলদেশ, মহাকাশ কিংবা পৃথিবীর
সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া, এসব অভিযানে খরচ কত, তা নিয়েই এই প্রতিবেদন।
সম্প্রতিক
সময়ের আলোচনায় রয়েছে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া ডুবোজাহাজ
টাইটান। সেসব নিয়ে আলোচনার মধ্যেই আরেকটি বিষয় সামনে এসেছে। সেটা হলো- এ ধরনের অভিযানের
ব্যয় বা কত খরচ হয়ে থাকে! বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ
দেখতে টাইটান ডুবোজাহাজে চড়ে যে পাঁচজন সমুদ্রের তলদেশে গেছেন, তাদের মাথাপিছু খরচ
হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি টাকা।
মহাকাশে
ভ্রমণ সমুদ্রের তলদেশে ভ্রমণের চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল। ব্লু অরিজিনের উড়ানে দুটি টিকিটের
দাম ২৫ লাখ ডলার বা প্রায় ২৮ কোটি টাকা। স্যার রিচার্ড ব্র্যানসনের মহাকাশ পর্যটন কম্পানি
ভার্জিন গ্যালাকটিকে চেপে ২ লাখ ৬০ হাজার ফুট উচ্চতায় ভ্রমণের টিকিটের মূল্য সাড়ে চার
লাখ ডলার। সেই টিকিটও আট শতাধিক বিক্রি হয়েছে।
আরও কিছু
এমন কম্পানি আছে, যারা বিশ্বের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত মানুষকে নিয়ে যায়। দক্ষিণ মেরু
ভ্রমণে নিয়ে যায় এমন একটি কম্পানি হচ্ছে হোয়াইট ডেজার্ট অ্যান্টার্কটিকা, যার মালিক
প্যাট্রিক উডহেড। দক্ষিণ মেরুতে নিয়ে যেতে তারা জনপ্রতি ৯৮ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত
নেয়।
রোমাঞ্চকর
ভ্রমণের আরেকটি জায়গা হচ্ছে এভারেস্ট পর্বতমালা। পর্বতারোহী গ্যারেট ম্যাডিসন জনপ্রতি
৯৩ হাজার ৫০০ ডলারে মানুষকে এভারেস্ট ভ্রমণে নিয়ে যান। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন অনুষ্ঠান
সিক্রেট লাইভস অব দ্য সুপার রিচে তিনি বেশ গর্ব করেই বলেন, তার অতিথিরা ৮ হাজার ফুট
উচ্চতায় গিয়েও গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। শুধু তা–ই নয়, বিশ্বমানের রাঁধুনিরা অতিথিদের টি-বোন স্টেক,
ভেড়ার মাংসের চপ ও স্যামন ফিলেট খাওয়ান। স্বাভাবিকভাবেই এসব শখের তোলা ৮০ টাকা। তবে
প্রতিটি পয়সা উসুল হয়ে যায় বলেই মনে করেন গ্যারেট ম্যাডিসন।
জেডএস/