ফরিদপুর প্রতিনিধি, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
০৩ নভেম্বর ২০২৩ ০৭:৪৮
ছবি: বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
চলতি রবি
মৌসুমে ফরিদপুরের পেঁয়াজ চাষিরা এক লক্ষাধিক মেট্রিকটন মুড়িকাটা পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যে
ব্যস্ত সময় পার করছে। এরমধ্যে জেলার লক্ষ্যমাত্রার পঞ্চাশ শতাংশ চাষাবাদ শেষ করেছেন
তারা। এবছর পেঁয়াজের ভাল দর পাওয়ায় এবং রবি মৌসুমে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় মুড়িকাটা
পেঁয়াজ চাষের জন্য ক্ষেত প্রস্তুত করেছে। সরকারি আবাদের লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে আরও
বেশি পরিমাণ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ভাল্ব রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
শীতকালে
দেশের মধ্যে শুধু ফরিদপুর অঞ্চলেরই এই পেঁয়াজের আবাদ হয়ে থাকে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে
চাষীরা মুড়িকাটা ভাল্ব সংগ্রহ করে ক্ষেতে রোপনের কাজ শুরু করে। আবহাওয়া উপযোগী থাকলে
রোপনের ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ক্ষেত থেকে ফসল ঘরে তুলতে পারে।
চলতি বছরের
নভেম্বরের শেষে বা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চাষীরা এই পেঁয়াজ বাজারে তুলতে পারবে।
এতে পেঁয়াজের অস্থির বাজার দর কিছুটা হলেও স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকারি হিসাব
মতে, প্রতি হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের উৎপাদন হয় ১৮ থেকে ২০ মেট্রিকটন। জেলায়
এবছর ৫ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আবাদ হচ্ছে । যা থেকে উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে লক্ষাধিক
মেট্রিকটন পেঁয়াজ ।
সরেজমিনে
গেলে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষীরা জানান , আবহাওয়া পেঁয়াজ চাষের অনুকুলে থাকলে এবার ভাল
ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাজার দর কৃষক পর্যায়ে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দর পেলে খুশি
তারা ।
ফরিদপুর
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবীদ রফিকুল ইসলাম জানান, মুড়িকাটা পেঁয়াজ
বাজারে এলেই বাজার দরের অস্থিরতা কমে যাবে। তিনি আরও জানান, দেশের পেঁয়াজ সংকট মৌসুমে চাষীদের মুড়িকাটা
পেঁয়াজ ভোক্তাদের জন্য অনেকটা সহায়ক হিসাবে ভূমিকা রাখে।
আরকে/