ডেস্ক রিপোর্ট

বেঙ্গল নিউজ টোয়েন্টিফোর


০৬ জানুয়ারি ২০২৫ ০৯:৫৪



চট্টগ্রাম আদালতে ১৯১১ মামলার নথি গায়েব

ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর

০৬ জানুয়ারি ২০২৫ ০৯:৫৪

চট্টগ্রাম আদালতে ১৯১১ মামলার নথি গায়েব

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম আদালতের এক হাজার ৯১১টি মামলার নথির (কেস ডকেট বা সিডি) খোঁজ মিলছে না। আইনজীবীরা বলছেন, নথি গায়েব হওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। পুলিশ বলছে, কোতোয়ালি থানায় জিডি করার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়েছে। রুমের বাইরে যেখানে নথিগুলো রাখা ছিল সেখানে সিসি ক্যামেরা ছিল না।

তবে মহানগর আদালতের পিপি বলছেন, এসব নথি হারানোয় মামলার বিচারকাজে তেমন প্রভাব ফেলবে না।

নথি হারানোর ঘটনায় রবিবার (৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মফিজুল হক ভুঁইয়া।

চট্টগ্রাম আদালতের সিনিয়র আইনজীবী ও সচেতন নাগরিক কমিটি চট্টগ্রামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী বলেন, ‘ফৌজদারি মামলা বিশেষ করে পুলিশ কেস যেগুলো, সেগুলোতে কেস ডকেট মামলা বিচার এবং প্রমাণের জন্য অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এই মামলাগুলো বিচারাধীন। মামলার অপরিহার্য অংশ কেস ডকেট এ রকম অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয় শুনে আমরা বিস্মিত ও হতবাক।’

কোতোয়ালি থানার ওসি আবদুল করিম বলেন, বস্তায় ভরে নথিগুলো পিপি কার্যালয়ের সামনে রাখা ছিল। আদালতের অবকাশকালে অফিস বন্ধ থাকায় গত ১৩ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নথিগুলো হারিয়ে গেছে বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জিডিতে বলা হয়েছে, মহানগর পিপি অফিসে প্রায় ২৮-৩০টি আদালতের কেস ডকেট রক্ষিত ছিল।

পিপি অফিসের জায়গা স্বল্পতার কারণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পিপি অফিসের সামনের বারান্দায় প্লাস্টিকের বস্তায় এক হাজার ৯১১ কেস ডকেট পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রক্ষিত ছিল।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শাকিলা সুলতানা বলেন, ‘এগুলো মামলার সিডি। সিডির ডিজিটাল কপি সংরক্ষিত থাকে। এখান থেকেও তা পুনরুদ্ধার করা যাবে।’

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মফিজুল হক ভুঁইয়া বলেন, এগুলো বাইরে ডাম্পিং অবস্থায় ছিল, কে বা কারা নিয়ে গেছে। এই জন্য আমি জিডি করেছি। এগুলো বর্তমানে মামলার বিচারকাজে কোনো প্রভাব ফেলবে না।

 /এসবি