ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৮:১৫
ছবি: সংগৃহীত
ভুয়া পেশাগত
সনদ নিয়ে যারা বিদেশে চাকরি করতে যায় তাদের এবং যারা এই সনদ দেয় তাদের চিহ্নিত করে
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার
(৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন
সরকারপ্রধান।
পরে সাংবাদিকদের
মন্ত্রিপরিষদ মো. সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে যারা বিদেশে যাচ্ছেন
অনেকেই ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই ভুয়া চিকিৎসক ইঞ্জিনিয়ার- এ ধরনের
সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছেন।
মাহবুব হোসেন
বলেন, কীভাবে তারা এ ভুয়া সার্টিফিকেট নেয়। এ ভুয়া সার্টিফিকেটসহ যারা যায়, কারা
তাদের এ কাজে সহযোগিতা করে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে
নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তাদের সহযোগিতা করবে।
কেমন সংখ্যক
এমন ভুয়া সনদ নিয়েছেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংখ্যাটা নিয়ে আলোচনা
হয়নি। অভিযোগ করা হয় যে এমন পাওয়া যাচ্ছে। দেখা গেল একটা ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে
বিদেশে গেছে এবং ওই দেশে গিয়ে সে ধরা পড়েছে। তখন একটা বিব্রতকর অবস্থা তৈরি হয়ে
যায়। ওখানে তারা একটা অস্বস্তির মধ্যে পড়ে যায়। এখন এ বিষয়টাকে শক্ত হাতে হ্যান্ডেল
করার জন্য বলা হয়েছে।
ইন্টার্নশিপ (ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ) নীতিমালা
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ (ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ)
নীতিমালা, ২০২৩’-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে
মন্ত্রিসভা।
মাহবুব হোসেন
জানান, এই আইনের মাধ্যমে প্রত্যেক বছর ইন্টার্ন করার সুযোগ দেবে সরকারি, বেসরকারি,
আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। মেয়াদ হবে তিন থেকে ছয় মাস। এজন্য নির্দিষ্ট
হারে দেওয়া হবে ভাতা। এমন সুযোগ রেখেই ‘সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ (ব্যবহারিক
প্রশিক্ষণ) নীতিমালা, ২০২৩’-এর
খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ জন্য কী
যোগ্যতা লাগবে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, একেকটা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা একেক
রকম, সে অনুযায়ী যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু সেটা প্রতিষ্ঠান ঠিক করবে যে তাদের
কী ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকজন দরকার। সেটি প্রতিষ্ঠান বলবে।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব বলেন, তারা (ইন্টার্নরা) কী কাজ করবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ ব্যাপার তাদের সঙ্গে
বসবে। তিন থেকে ছয় মাস মেয়াদে তারা কাজ করবেন এবং এটি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
নীতিমালাটা শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, সব বেসরকারি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানেও যেন এ সুযোগটা
থাকে তার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। সে অনুযায়ী নীতিমালাটি পুনর্গঠন করা হবে। সে
সুযোগটা এখানে রেখে অনুমোদন করা হয়েছে।
প্লাস্টিকের বাজার বাড়াতে নীতিমালা চূড়ান্ত
দেশে পরিবেশবান্ধব
প্লাস্টিকের বাজার বাড়াতে নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘প্লাস্টিক শিল্প
উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৩’এর
খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব বলেন, বিশ্বে প্লাস্টিকের চাহিদা বাড়ছে। যাতে পরিবেশবান্ধব আমাদের প্লাস্টিক
শিল্প কাঠামো গড়ে ওঠে সেজন্য নীতিমালাটা পাস করা হয়েছে। এখানে পরিবেশবান্ধব, আমি
আবারও বলছি পরিবেশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে এ রকম প্রভিশন ( বিধান) রেখে এসব ইন্ডাস্ট্রি
কীভাবে প্রণোদনা দেওয়া যায় সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাহবুব হোসেন
বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কীভাবে ওই সেক্টরকে সাপোর্ট দেওয়া যায়, বিশেষ করে ম্যানপাওয়ার
থেকে শুরু করে একটা প্লাস্টিক শিল্পনগরী করা যায় কিনা, সেসব ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।
শিল্পনগরী করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এই নীতিমালাটা করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব বলেন, এই নীতিমালা হলে আমরা আশা করছি, আমাদের প্লাস্টিক সেক্টরের এখন যে বাজার
আছে , সে বাজার দ্রুত বর্ধনশীল হবে।
‘দ্বৈত কর আরোপ পরিহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ’
বাংলাদেশে
কর্মরত মরিশাসের নাগরিক বেতনের টাকা ব্যাংকে রাখলে বা বিনিয়োগ করলে, তার ওপর যে মুনাফা
পাবেন সেই মুনাফা থেকে আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে কর দিতে হবে। তবে, মূল বেতন করের আওতা
বহির্ভূত থাকবে। একইভাবে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক মরিশাসে কাজ করে যে বেতন পাবেন, সেই
বেতনের টাকা ব্যাংকে রাখলে বা বিনিয়োগ করলে তা থেকে পাওয়া মুনাফার ওপর ওই দেশে কর
দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূল বেতন ওই দেশের করের আওতা বহির্ভূত থাকবে। এমন বিধান রেখে
বাংলাদেশ ও মরিশাসের মধ্যে থাকা ‘দ্বৈত কর আরোপ পরিহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ’ সংক্রান্ত
চুক্তি সংশোধনের জন্য খসড়া প্রটোকল অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মৃত্যুদণ্ড রেখে ‘আনসার ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৩’
বিদ্রোহের
সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে ‘আনসার ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৩’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে
মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব বলেন, বিদ্রোহ সংগঠন বা বিদ্রোহ সংগঠনের প্ররোচনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
রাখা হয়েছে খসড়া আইনে। আগের আইনে বিদ্রোহের বিষয় ছিল না। নতুন আইনে অপরাধ বিচারের
জন্য সংক্ষিপ্ত আনসার আদালত এবং বিশেষ ছাড় আদালত নামে দুটি আদালত গঠিত হবে।
২০২২ সালের
২৮ মার্চ এই আইনটি মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, আগের
আইনে বড় একটা গ্যাপ ছিল। কিছু ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান ছিল না। বিদ্রোহ কিংবা বিশৃঙ্খলা
সৃষ্টির বিষয়গুলো সুনির্দিষ্ট করা ছিল না। সেগুলোকে সুনির্দিষ্ট করে আইনের খসড়া আজ
চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব বলেন, নতুন আইনের বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে রয়েছে- সরকারি বা ব্যাটালিয়ন সদস্যের
সম্পত্তি চুরি করা, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে প্যারেডে অনুপস্থিত
থাকা, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রদর্শন করা। এক্ষেত্রে চাকরি
থেকে বরখাস্ত, চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অপসারণের শাস্তির কথা বলা হয়েছে।
খসড়া আইনে
প্রতিষ্ঠানের ভেতরে দুটি আদালত রাখার বিধান রাখা হয়েছে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন,
একটি হবে সংক্ষিপ্ত আনসার আদালত, আরেকটি হবে বিশেষ আনসার আদালত। সংক্ষিপ্ত আদালত একজন
অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্ব হবে। গুরুতর অপরাধের জন্য হবে বিশেষ আদালত, এই আদালতের
প্রধান হবেন মহাপরিচালক। এ দুটি আদালতে কি কি অপরাধের বিচার হবে সে বর্ণনা খসড়া আইনে
দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব আরও বলেন, এছাড়া শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড রয়েছে।
আপিল করারও ব্যবস্থা থাকবে। শাস্তি মওকুফের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কাছেও তারা আবেদন করতে
পারবেন।
আইনের খসড়ায়
বলা হয়েছে, ‘বিদ্রোহ সংগঠন ও এতে প্ররোচনা প্রদান, বিদ্রোহের কারণ সৃষ্টি বা ষড়যন্ত্রে
লিপ্ত বা এতে যোগদান করা, বিদ্রোহস্থলে উপস্থিত হয়ে তা দমনের জন্য যথেষ্ট প্রচেষ্টা
গ্রহণ না করা, বিদ্রোহ সম্পর্কে জেনে বা ষড়যন্ত্রের কথা যুক্তিসঙ্গতভাবে জানা সত্ত্বেও
সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানানো, কোনো ব্যাটালিয়ন সদস্যকে সরকারের প্রতি
তার কর্তব্য ও আনুগত্য থেকে বিরত রাখা, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিদ্রোহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট
ব্যাটালিয়ন সদস্য বা আনসার ব্যাটালিয়ন বহির্ভূত কোনো ব্যক্তিকে অস্ত্র গোলাবারুদ
বা অন্য কোনো উপায়ে সাহায্য করা, বিদ্রোহের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য যে কোনো অপরাধ সংগঠন
করা- এক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যান্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ
পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।’আগের
১৯৯৫ সালের আইনে বিদ্রোহের এসব বিষয় ছিল না বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন
ছোটখাটো
অপরাধ প্রমাণিত হলে রিক্রুটিং এজেন্সিকে ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত
জরিমানার বিধান রেখে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন (সংশোধন), ২০২৩- এর খসড়ার চূড়ান্ত
অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটি গত ৭ আগস্ট নীতিগত অনুমোদন
দেওয়া হয়েছিল। সেটির আজকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মাহবুব হোসেন
বলেন, আইনের মধ্যে রিক্রুটিং এজেন্ট যারা কাজ করেন, তারা সাব এজেন্ট রাখতে পারবেন।
সাব এজেন্ট কীভাবে নিয়োগ করা হবে, কারা-কারা থাকবেন, সেটি বিধির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত
হবে। সেই বিধি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তৈরি করবে।
মন্ত্রিপরিষদ
সচিব বলেন, এখন আমাদের আনঅফিসিয়ালি অনেক সাব এজেন্ট অথবা প্রতিনিধি আছে। তাদেরকে কখনোই
আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না। তারা সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। এজন্য মূলত
এই স্টেপটি নেওয়া হয়েছে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে- আগে যেটা ছিল যে, রিক্রুটিং এজেন্সির
কোন অন্যায় যদি আমরা পেতাম তাহলে লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করতে হতো। যদি ছোটখাটো
অপরাধ হতো, কোন শাস্তি দেওয়ার সুযোগ ছিল না। সেজন্য এবার পঞ্চাশ হাজার থেকে ২ লক্ষ
টাকা পর্যন্ত জরিমানার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) আইন
প্রতিষ্ঠার
প্রায় চার দশক পর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) আইন, ২০২৩ অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ আজকের দিনকে নেপের জন্য ঐতিহাসিক দিন অভিহিত
করে জানান, এ আইন পাসের ফলে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ একাডেমি হিসেবে নেপের
বিকশিত হওয়ার দুয়ার উন্মুক্ত হবে। এ প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা পদায়নের সুযোগ
সৃষ্টি হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও কারিকুলাম
উন্নয়নেও এ প্রতিষ্ঠান কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন
গবেষণা পরিচালনা, গবেষণা জার্নাল প্রকাশের পাশাপাশি নেপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে
সম্মেলন ও কর্মশালার আয়োজন করতে পারবে। এ আইনের আওতায় নেপের আঞ্চলিক কার্যালয়ে স্থাপনের
মাধ্যমে নেপ আরও ছড়িয়ে দেওয়ার পথ উন্মুক্ত হবে। নেপ মহাপরিচালক মো. শাহ আলম আইন পাসের
ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, সচিব সহ সংশ্লিষ্ট সকলের
প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
দেশে আরও দুটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে
দেশে নতুন
করে আরও দুটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ’হবে নারায়ণগঞ্জে। আর ‘সাতক্ষীরা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ হবে সাতক্ষীরায়। এ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের
জন্য পৃথক দুটি আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
বর্তমানে
দেশে ৫৪টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে কিছুদিন আগে আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের
জন্য আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর আজ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় করার সিদ্ধান্ত হলো।
এখন নতুন তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় হলে দেশে মোট সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হবে ৫৭টি। এ ছাড়াও
দেশে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে ১১৩টি।
মন্ত্রিসভার
আজকের বৈঠকে শিক্ষা বিষয়ে আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় শিক্ষক (চাকরি শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা ২০১৩ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন
করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১৩ সালে জাতীয়করণ (সরকারি) করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২৬ হাজার
১৯৩ শিক্ষকদের যোগ্যতা অর্জনের শর্ত পূরণের সময় বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী ২০২৫
সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত শর্ত পূরণের সুযোগ পাবেন ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।
৫ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস
জাতীয় শিক্ষক
দিবসের পরিবর্তে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত
নিয়েছে মন্ত্রিসভা। দিবসটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দিবস উদ্যাপন–সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত
হয়েছে। বৈঠকে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি আইন, ২০১৩–এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন
দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
এসএ/