পার্বত্যাঞ্চল সংবাদদাতা, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩৫
ছবি : বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা সীমান্তে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আসা ৩ হাজার ৯শ পিস ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষার ভারতীয় কীট, ৯৮ পিস ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষার ভারতীয় এ্যাম্পুলসহ একটি মাইক্রোবাস (নোহা) ও ৬ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার (৫সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে মাটিরাঙ্গা থানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেন খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম(বার)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মাঈনুদ্দিন (২৭), জাহাঙ্গীর আলম (২৯), মহিন উদ্দিন (২৯), জাকির হোসেন (৩০), আনোয়ার হোসেন (২৮) ও রবিউল ইসলাম।
প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয়, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি নুরে আলম মিনা বিপিএম(বার) এর দক্ষ দিক-নির্দেশনায় খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম(বার) এর নের্তৃত্বে মাটিরাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ এর তত্ত্বাবধানে মাটিরাঙ্গা থানার একটি দল গত ৪ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৩.৪০ টার সময় মাটিরাঙ্গা পৌরসভা এলাকায় একটি পুরাতন সিলভার রঙয়ের মাইক্রোবাসটি তল্লাশী করে। এ সময় গাড়ির পিছনের সিটের নিচ থেকে প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর ৩ হাজার ৯শ পিস ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষার ভারতীয় কীট, ৯৮ পিস ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষার ভারতীয় এ্যাম্পুল যার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ মাইক্রোবাসে থাকা ৬ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাটিরাঙ্গা থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত শরীফ বলেন, আসামির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদের আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘মশার কামড়জনিত কারণে ডেঙ্গু রোগ দেশে এক রকমের ভয়াবহতায় রূপ নিয়েছে। আমরা প্রতিদিনই গণমাধ্যমের মারফত জানতে পারি ডেঙ্গু রোগে দেশের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে ও মারা যাচ্ছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি অসাধু মহল অবৈধভাবে লাভের উদ্দেশ্যে এমন অপরাধমূলক কার্যক্রমের পরিকল্পনা করে আসছে ও সরকারি অনুমোদন ছাড়া এইসব ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষার ভারতীয় কীট নিয়ে আসছে যার সঠিক কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ আছে। ফলশ্রুতিতে ভুল ফলাফলের কারণে রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। তাই নাগরিক সেবা সুনিশ্চিতে চোরাকারবারীরসহ যে কোন অপরাধ দমনে খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের গোয়েন্দা তৎপরতাসহ সকল আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
জেডএস/